ঢাকা , বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬ , ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুলিয়ারচরে শিশুহত্যার ২৮ দিন পর রহস্য উদঘাটন

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৩-০৪ ১২:২৪:২২
কুলিয়ারচরে শিশুহত্যার ২৮ দিন পর রহস্য উদঘাটন কুলিয়ারচরে শিশুহত্যার ২৮ দিন পর রহস্য উদঘাটন
নিজস্ব প্রতিবেদক
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে নিখোঁজের ২৮ দিন পর চার মাসের শিশু আশরাফুলের লাশ বাড়ির পেছনে টয়লেটের ট্যাংকি থেকে গতকাল ৩ মার্চ উদ্ধার করেছে পুলিশ এবং হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শিশুর আপন চাচি রুপা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিজ্ঞেসাবাদের একপর্যায়ে ঘাতক চাচি রুপা আক্তার (২০) শিশু আশরাফুলের হত্যার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শিশু হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ঘাতক চাচি বলেন, আট বছর আগে আশরাফুলের আপন ছোট্ট চাচা আবদুল হাকিমের সঙ্গে বিয়ে হয় এবং একটি মেয়ে সন্তানও জন্ম হয়। আট মাস আগে তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে তারপর থেকে তার মেয়ে এবং তাকে ভরণপোষণ করে না এবং তার দাদা-দাদিও নাকি মেয়েকে আদর যত্ন কম করে।

তার স্বামীও বড় ভাইয়ের সন্তানদের আদর করে বেশি। দীর্ঘদিন যাবৎ এসব সহ্য করে আস্তে আস্তে এই নারীর জিদ, কষ্ট ও হিংসা আরো বেড়ে যায়। অনেক দিন যাবত প্ল্যান করে হঠাৎ করে সুযোগ বুঝে এই ৪ মাসের বাচ্চা আশরাফুলকে হত্যার উদ্দেশ্যে দোনলা থেকে তুলে নিয়ে বাড়ির পেছনে টয়লেটের টাংকির ঢাকনা খুলে তাতে ফেলে দিয়ে ঢাকনা লাগিয়ে দেয়।

জানা যায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটির মা তাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর পর তিনি বাড়ির পাশেই পাতা ঝাড়ু দিতে যান। এ সময় শিশুটি ঘরের ভেতরে দোলনায় ঘুমিয়ে ছিল। কিছুক্ষণ পর ঘরে এসে দোলনায় শিশুটিকে না পেয়ে ঘরে ও আশপাশে খোঁজাখুঁজির পর শিশুটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

২৮ দিন পর বাড়ির পেছনের টয়লেটের ট্যাংকি পরিষ্কার করতে গিয়ে শিশুটির দাদা লাশটি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ